বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

কক্সবাজারের বরইতলী গ্রাম এখন ‘গোলাপ পল্লী’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৩১ পঠিত

গোলাপ শুধু প্রেম প্রস্তাবে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ভালবাসা ছাড়াও উদ্বেগ ও কোমলতার প্রতীক। আর সেই গোলাপের সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে বসেছে কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার বরইতলী গ্রাম। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস গোলাপ সহ নানা ফুলের চাষ।

বরইতলী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, তরতাজা গোলাপ ফুলের নিখাঁদ সৌরভ আর নান্দনিকতা। কোনোটা লাল, কোনটা সাদা, কোনটা হলুদ আবার কোনটা খয়েরি। সারারাত শিশিরে ভেজা গোলাপগুলো জানান দিচ্ছে অপরূপ সৌন্দর্য।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বরইতলী ইউনিয়নের নতুন রাস্তার মাথা, নামারপাড়া, মাইজপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গোলাপের চাষ করা হয়। ওই ইউনিয়নে এ বছর প্রায় একশো একর জমিতে গোলাপের আবাদ করেছে ৯০ জন কৃষক। একেকটি বাগানে প্রতিদিন ফুল ফোটে ৩ হাজার থেকে অন্তত ৬ হাজার। এসব গোলাপের অধিকাংশ বাণিজ্যিকভাবে যায় চট্টগ্রামে। তবে বিশেষ দিনগুলোতে এসব ফুলের চাহিদা থাকে বেশি। গোলাপের পাশাপাশি তারা গ্ল্যাডিওলাসের চাষ করে। দিনের শুরুতেই বাগান থেকে ফুল তুলে বিক্রির জন্য ফুল কাটা, বাছাই আর বাঁধছেন চাষীরা। প্রতিটি বাগানে কাজ করছেন ৫-৬ জন শ্রমিক। তবে করোনার সময় ফুলচাষে কিছুটা লোকসান গুনতে হলেও বর্তমানে তা কাটিয়ে উঠেছে চাষীরা।

বরইতলী গোলাপবাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম বলেন, তাদের ওখানে ৬০-৭০ টা বাগান আছে। এই বাগানের মাধ্যমে মালিক, কর্মচারীসহ অনেকের জীবিকা নির্বাহ করে। এক একর জমিতে সকল খরচ বাদ দেওয়ার পরেও ৩ লাখ টাকা আয় হয়।

কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, রবইতলীর একশো একর বাগানের গোলাপ বিক্রি করে প্রতি বছর আয় হয় ৩ কোটি টাকার বেশি। আগে প্রায় ৩শ একর জমিতে গোলাপের আবাদ হলেও করোনার থাবা, কাগজ ও প্লাস্টিকের ফুলের সহজপ্রাপ্যতাসহ নানা সংকটে কিছুটা কমেছে সেই আবাদ।

বরইতলীর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, এখানে কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৮০-৯০ জনের মতো। আগে জমির পরিমাণ বেশি ছিল, সে সময় কৃষকের সংখ্যাও বেশি ছিল। পর্যায়ক্রমে করোনা, কাগজের ফুল বের হওয়ায় ও কৃষকরা গোলাপের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে দিন দিন এই গোলাপ চাষ কমে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আসন্ন পহেলা বৈশাখ, বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে ১ কোটি টাকার ব্যবসা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 95 − 85 =

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree