বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২২ পঠিত

বাঁকখালী নদীকে বলা হয় কক্সবাজারের প্রাণ আর সেই নদীতে চলছে দখলের মহাউৎসব আর তাই অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নদীর কস্তুরাঘাটস্থ মোহনা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে অভিযানে পরিবেশ অধিদফতর, বনবিভাগ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা জেলা পুলিশের শতাধিক পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার শহরের প্রাণ হিসেবে পরিচিত বাঁকখালী নদীর তীর দখলের মহোৎসব চলছে গত ৫ বছর ধরে। নদীর তীরে ৬ শ’ হেক্টর প্যারাবন নিধন করে একে একে চলছে স্থাপনা নিমার্ণের কাজ। শুধুমাত্র দুই মাসের ব্যবধানে নদীর তীরের জমি দখলের পর চলছে স্থাপনা নির্মাণ।

খুরুশকুলের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে একটি সেতু। এই সেতুর পাশাপাশি সংযোগ সড়ক তৈরি হওয়ায় সড়কের দুই পাশে প্যারাবন ধ্বংস করে নদী দখলের মহোৎসবে মেতে ওঠেছে প্রভাবশালী চক্র।

যদিও এখানে একটি নদী বন্দর হওয়ার জন্য সরকারের প্রজ্ঞাপন রয়েছে। এর জন্য এ জমি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) বুঝিয়ে দেয়ার জন্য হাইকোর্টের রায় রয়েছে। এর পরিপ্রক্ষিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান।

তিনি আরো জানান, সকালে শুরু হওয়া এ অভিযান সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। কোনোভাবেই নদী দখলের প্রশ্নে ছাড় দেয়া হবে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain + 18 = 28

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree