বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

কক্সবাজারে শিক্ষক হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন স্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৬ পঠিত

কক্সবাজার পেকুয়ার কলেজ শিক্ষক এসএম ফরহাদ উদ্দিন হত্যা মামলায় আসামি ছালেহ জঙ্গী ওরফে ছোটনকে মৃত্যুদণ্ড, ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৫ বছর এবং স্ত্রী আসমাউল হোসনা লিপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।

এসব তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী।

তিনি জানান, দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার ৪ আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

তারা হলেন, ছালেহ জঙ্গীর ভাই সিরাজুল মোস্তফা, নুরুল আবছার ও তার স্ত্রী শাহেদা বেগম এবং মেয়ে শিরিন জন্নাত আঁখি। এরা সকলেই পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ার বাসিন্দা ও স্বজন।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী জানান, ২০১৫ সালের ৬ মে রাত ৯টায় দিকে মা রাহেলা মুসতারির সামনেই পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায় গুলি করে কুপিয়ে হত্যা করা হয় পেকুয়ার কলেজ শিক্ষক ফরহাদ উদ্দিনকে। ৮ মে ছেলে হত্যার বিচারের জন্য ৬ জনকে আসামি করে পেকুয়া থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ। একই বছরের ৩ নভেম্বর পেকুয়া থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহীদ উল্লাহ ছালেহ জঙ্গী ও তার স্ত্রী লিপিকে অভিযুক্ত করে এবং বাকি ৪ জনকে মামলার থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে সেই অভিযোগপত্রের মামলার বাদী মোহাম্মদ ইউনুছ নারাজি দেন। পরে ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট এজাহারনামীয় সব আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে কক্সবাজার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত।

তিনি জানান, এ মামলার ১৯ জন স্বাক্ষী থাকলেও ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য প্রমাণ ঘটনায় অন্য ৪ আসামি দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দিয়েছেন আদালত। তবে মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা হয়েছে।

মামলার বাদী ও নিহত ফরহাদের বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, রায় শুনে খুশি লাগছে। তবে আমার ছেলে হত্যার ৭ বছরে একজন আসামিও গ্রেফতার হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 33 + = 40

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree