বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের এনআইডি দেয়ার অপরাধে গ্রেফতার ১০

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৬ পঠিত

রোহিঙ্গারা চট্টগ্রামে এক লাখ থেকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সংঘবদ্ধ একটি চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তারা হয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের নাগরিক। আর এ এনআইডি ব্যবহার করে অনেকে সংগ্রহ করছেন বিদেশ যাওয়ার পাসপোর্টও।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ রোহিঙ্গা, এনআইডি করে দেওয়ার দালাল ও নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী কর্মচারীসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, কামাল হোসেন, সোনা মিয়া, মো. কামাল, নুরুল আবছার, সামসু মাস্টার, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অস্থায়ী কর্মচারী-পাঁচ ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ইয়াসিন আরাফাত, নূর নবী, মিজানুর রহমান, ফরহাদুল ইসলাম ও ইমন দাশ।

তাদের বিরুদ্ধে নতুন মামলা হয়েছে। পুরো চক্রে জড়িতদের শনাক্তে গ্রেফতার আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন সিএমপির উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা-দক্ষিণ) মোহাম্মদ আলী হোসেন।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী কিছু কর্মচারীর সহায়তায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র মোটা অংকের বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট করে দিচ্ছেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার নগরীর হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চবিদ্যালয় থেকে ওই চক্রের ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সেখানে কয়েকজন রোহিঙ্গা এনআইডি করতে এসেছিলেন।

গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা রোহিঙ্গাদের টাকার বিনিময়ে এনআইডি করে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এর মধ্যে সামসু মাস্টার রোহিঙ্গাদের এনআইডি করে দেওয়ার দালালের কাজ করেন। তিনি একেকটি এনআইডি করে দিতে একেক জনের কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করে নেন। সামশু এরপর দালাল নুরুল আবছারকে দিয়ে রোঙ্গিাদের জন্ম নিবন্ধন নিয়ে দেন। আবছার ঢাকায় একটি চক্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন করেন। এরপর ওই জন্মনিবন্ধন দিয়ে এনআইডি করেন। ইসির সার্ভারেও এনআইডিটি পাওয়া যায়।

উপ-কমিশনার আলী হোসেন বলেন, দালাল সামসু মাস্টার ও নুরুল আবছার এর আগেও কক্সবাজারে এনআইডি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে বেরিয়ে আবার একই জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে।

সূত্র: জাগোনিউজ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 35 − = 29

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree