রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে আতঙ্ক কাটেনি, পরিস্থিতি থমথমে!

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২১ পঠিত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু-মিয়ানমার সীমান্তের জিরো পয়েন্টে থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অধিকাংশ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা পার্শ্ববর্তী গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন। এই রিপোর্ট লেখা ও পাঠানো পর্যন্ত কোনাপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন ধাউ ধাউ করে জ্বলছে।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে সন্ত্রাসীদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যায় রোহিঙ্গাদের কিছু ঝুপড়ি ঘর।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ভোর থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কিছুক্ষণ পর পর দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় ঘটেছিল। পাশাপাশি রোহিঙ্গা শিবিরেও জ্বলছিল আগুন।

রাতে আগুন বন্ধ থাকলেও শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে আবারও আগুন জ্বলছিল বাকি ঘরগুলোতে।

স্থানীয়দের দাবি কোনাপাড়া আশ্রয় শিবিরের সবগুলো ঘর সন্ত্রাসীরা জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবে এঘটনায় কোন ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অন্যান্য দিনের তুললায় উখিয়ার বালুখালী টিভি টাওয়ার, উখিয়ার ঘাট কাস্টমস সংলগ্ন মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা বেশি ছিল বলে বিভিন্ন গোয়ান্দা সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রে জানা যায়, তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখার ক্যাম্পটিতে ৫৩০টি বসতঘর ছিল। সেখানে ৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করতেন।

তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদের স্ত্রী আরেফা বেগম জানান , হঠাৎ একদল মুখোশধারী এসে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপর ছেলে-মেয়ে নিয়ে পালিয়ে আসি।

কিছু রোহিঙ্গা কুতুপালং আশ্রয় শিবিরের দিকে আর কিছু মায়ানমারের অভ্যন্তরে এবং বাকিরা তুমব্রু এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, শূন্যরেখার পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছে। রোহিঙ্গারা শূন্যরেখা থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমেন শর্মা বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাদের ঝুপড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (বিজিবি-৩৪) অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম চৌধুরী মুঠোফোন রিসিভ না করার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain − 4 = 2

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree