মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

পেকুয়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জন মোবাইল ছিনতাই মামলার আসামি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩ পঠিত

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাই মামলায় দুই বারের নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও নৌকা প্রতীকের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে তিন নাম্বার আসামি করা হয়েছে। সেই আসামি হলেন উজানটিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। এ মামলাটি করেন উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া নূরীর পাড়া এলাকার মৃত মৌলভী নুরুল হকের ছেলে মুমিনুল হক রোকন বাদী হয়ে পেকুয়া থানায়। এ মামলায় আরো ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারসূত্রে জানা যায়, ২১ জুলাই দুপুর ২ টায় বাদী মুমিনুল হক রোকন পেকুয়া বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে উজানটিয়া ইউপির গোদারপাড় স্টেশনে কলিমের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা বিবাদীগণ তাকে গতিরোধ করে। বিবাদীগণের হাতে থাকা হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে তার কুমরে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা ও একটি ১২ হাজার টাকা দামের স্মার্ট মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় আহত রোকন বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় এজাহার দেয়। পেকুয়া থানার ওসি এজাহার আমলে নিয়ে মামলা হিসেবে রুজু করে। যার নং০১/২২ ইং। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ওই এলাকার মৃত রোকন উদ্দিনের ছেলে কাফি, জয় এবং কফিল উদ্দিনের ছেলে আরফাত।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, মুমিনুল হক রোকন গত ১৯ জুলাই স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন মৌলভী নুরুল আলমকে আযান দেওয়া এবং তার পিছনে নামাজ না পড়া নিয়ে গালমন্দ করে। মোয়াজ্জিম প্রতিবাদ করলে এক পযার্যে ওই মোয়াজ্জিমকে মারধর করে রোকন। বিষয়টি স্থানীয় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম শহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে মোয়াজ্জিম অবগত করে এবং এ নিয়ে মোয়াজ্জিম মৌলভী নুরুল আলম বাদী হয়ে মুমিনুল হক রোকনকে বিবাদী করে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। ২১ তাং দুপুরে উজানটিয়া ইউপির গোদারপাড় স্টেশনে কলিমের চায়ের দোকানে মোয়াজ্জিমের ঘটনার বিষয়টি নিয়ে কফিল উদ্দিনের ছেলে আরফাতের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় শহিদ চেয়ারম্যান এসে দুইজনকে বকা দিয়ে ওখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে মুমিনুল হক রোকন কার ইশারাই ঈর্ষান্বিত হয়ে তিলকে তাল বানিয়ে ২১ জুলাই তারিখের আসল ঘটনাকে আড়াল করে ৩ আগস্ট একটি ছিনতাই মামলা রেকর্ড করায় পেকুয়া থানায়। ওই ঘটনায় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী উভয় পক্ষকে বকা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার অপরাধে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাই মামলার আসামি হল। এ মামলায় ২ জন আসামি চট্টগ্রামে থাকে। ওদিনও চট্টগ্রামে ছিল। ওখানে থাকার পরও মামলার আসামি হল কীভাবে।

সচেতন মহল বলেন, পেকুয়া থানা পুলিশ কি ঘটনার তদন্ত না করে বাদী যেমন তেমন এজাহার দিলে মামলা নিয়ে নেন। অতীতে তো এমন হত না বর্তমানে কি নতুন আইন বা নিয়ম চালু হয়েছে।

এ বিষয়ে উজানটিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মামলার আসামি এটিএম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ১৯ তারিখে মোয়াজ্জিনের ঘটনা নিয়ে ওসি সাহেবের সাথে কথা হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। পরে আমি যখন শুনি আমার বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলার জন্য এজাহার জমা দিয়েছে তখনই ওসি সাহেবকে বলি বিষয়টি কি রকম হচ্ছে তখন তিনি বলেন আমি বিষয়টি দেখতেছি বলেই একটি মামলা রেকর্ড করে নিলেন। এটি সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। আমি আইনগত পদক্ষেপ নিব।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরহাদ আলীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain + 82 = 85

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree