বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডাকাতি, চার জেলেকে সাগরে ফেলে দিয়েছে জলদস্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৪ পঠিত

কক্সবাজার উপকূলবর্তী বঙ্গোপসাগরে চারটি মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে বাধা দেওয়ায় ট্রলার থেকে চার জেলেকে সাগরে ফেলে দিয়েছে জলদস্যুরা।
ঘটনার পর থেকে এখনো ওই চার জেলে নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফিশিং বোট মালিক সমিতির সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজার জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে কক্সবাজার উপকূলবর্তী সাগরের ১৪ বিউ নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন- অলি আহমদ, মো. আনিস, মো. জিয়া ও দেলোয়ার হোসেন। তারা ডাকাতির শিকার এফবি হাসানের জেলে।

ট্রলার মালিক দেলোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের অনন্ত ১০ কিলোমিটার দূরুত্বের ১৪ বিউ নামক এলাকায় মাছ ধরছিল সদর উপজেলার খুরুশকূলের মো. জকরিয়ার মালিকানাধীন এফবি হাসান নামের একটি ট্রলার। এক পর্যায়ে আরেকটি ট্রলার যোগে একদল জলদস্যূ ট্রলারটির (এফবি হাসান) উপর হামলে পড়ে।

“এসময় বাধা দিলে এফবি হাসান নামের ট্রলারে থাকা ১৯ জেলেকে মারধর এবং এদের মধ্যে চারজনকে সাগরের পানিতে ফেলে দেয় জলদস্যূরা। পরে জলদস্যূরা ইঞ্জিন বিকল করে দিয়ে ট্রলারটির মাছ ও জালসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।”

বোট মালিক সমিতির এ নেতা বলেন, ” এফবি হাসানের পর জলদূস্যরা ঘটনাস্থলের কিছু দূরে মাছ ধরার সময় আরও তিনটি ট্রলারে ডাকাতি করে। ওই ট্রলারগুলো থেকে মাছ ও জালসহ অন্যান্য মালামাল লুট করার পর ইঞ্জিন বিকল করে পালিয়ে যায়।”

ঘটনার পর থেকে সাগরে ফেলে দেওয়া ৪ জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। পরে শনিবার সকালে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া অন্য ট্রলারের সহায়তায় এফবি হাসানকে কক্সবাজার উপকূলে নিয়ে আসা হয়। এখনো সাগরে ভাসছে ডাকাতির শিকার অন্য তিনটি ট্রলার।

শনিবার সকালে এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী এফবি হাসানের মালিক মো. জকরিয়া বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে তাদের আওতাধীন এলাকায় নয় বলে জানিয়েছে বলেন বোট মালিক সমিতির এ নেতা।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ও উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কথা হলে ঘটনাস্থল তাদের আওতাধীন নয় এবং টেকনাফ থানাধীন বলে জানিয়েছেন।

পরে ঘটনার ব্যাপারে জানতে টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান বলেন, টেকনাফের শামলাপুর উপকূলবর্তী সাগরে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির ঘটনার ব্যাপারে পুলিশ অবহিত নন। তবে ঘটনার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 5 + 3 =

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree