রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মাচাং ঘর পরিদর্শনে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
  • ৫৪ পঠিত

বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মাণাধীন মাচাং ঘর পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো.আশরাফ উদ্দিন।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়ন পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৪র্থ পর্যায়ে নির্মাণাধীন মাচাংঘর পরিদর্শন করেন তিনি। মাচাং ঘর পরিদর্শনকালে তিনি কাজের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ঘর পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইতিপূর্বে বান্দরবান জেলায় পাঁকা ঘর নির্মাণ হলে ও এবার জেলা প্রশাসকের আবেদনের প্রেক্ষিতে পার্বত্য এলাকার ঐতিহ্য ও কৃষ্টির সাথে সঙ্গতি রেখে তৈরি হচ্ছে মাচাংঘর। প্রতিটি মাচাংঘর নির্মাণে ব্যয় করা হচ্ছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭০ টাকা।’

এসময় তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই আজ দেশের অসংখ্য ভূমিহীন ও গৃহহীন তাদের মাথা গোঁজার ঠাই পাচ্ছে। আর এই নির্মাণাধীন মাচাং ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলে অসংখ্য পরিবার তাদের ঠিকানা খুঁজে পাবে।’

এসময় জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, ‘স্থানীয় জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে এসব মাচাং ঘর নির্মাণের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়। এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি প্রতিনিধিদল বান্দরবান পরিদর্শন শেষে মাচাং ঘর নির্মাণের যৌক্তিকতা বিবেচনায় এনে বিষয়টি অনুমোদন করে।

তিনি আরো বলেন, ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জন্য সেমিপাকা গৃহের পরিবর্তে মাচাং ঘর নির্মাণের উদ্যোগটি সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকার জনগণ সেমিপাকা ঘরের চেয়ে মাচাং ঘরকে বেশি পছন্দ করছেন। এতে মাচাং এর নিচে গৃহপালিত পশু পালনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী সারা বছর সংরক্ষণ করা যায়। দুর্যোগ সহনীয় ও পরিবেশবান্ধব এ মাচাং ঘরে আলো বাতাস চলাচলের অবারিত সুযোগ রয়েছে।’

এসময় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাজিয়া আফরোজ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমর্কতা মো.জাহাঙ্গীর, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনু, জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যাসিং শৈ মারমা এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে বান্দরবানে সর্বমোট ২৩০টি মাচাং ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। যার মধ্যে বর্তমানে সদর উপজেলায় ৯টি, আলীকদম উপজেলায় ১টি, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ১৫টি, রোয়াংছড়ি উপজেলার ৪৫টি, লামা উপজেলায় ১৫টি, রুমা উপজেলায় ১০০টি এবং থানচি উপজেলায় ৪৫টি। আর মাচাং ঘরগুলোর কাজ সমাপ্ত হলে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই ঘরের চাবি এবং জমির দলিল আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়ির মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 32 + = 36

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree