বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

বান্দরবান-মিয়ানমার সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক: জনমনে আতঙ্ক কাটেনি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৭ পঠিত

বাংলাদেশের বান্দরবান-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে এখনো সীমান্ত পাড়ের বাসিন্দাদের মনে আতঙ্ক কাটেনি।

স্থানীয়রা জানান, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের মায়ানমার সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘ দিন পর গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছেনা। বন্ধ হয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও যুদ্ধ বিমান থেকে ছোঁড়া গুলি ও গুলির শব্দ। গত প্রায় এক মাস ধরে প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শোনা যেত মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মর্টারশেলের গোলার শব্দ ও বিমানের বোমা বর্ষণের বিকট শব্দ।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত কোন ধরনের গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়নি বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা রেজু গর্জন বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উক্যচিং তংচংগা চাকমা।

সরেজমিনে সীমান্তের সোনাইছড়ি, বরইতলী, বৈদ্দের ছড়া, গর্জন বুনিয়া, বাইশ পাড়ী, তুমব্রু ঘুমধুম ইউনিয়ন এলাকা ঘুরে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ একমাস পর সীমান্তে আজ গোলাগুলির শব্দ বন্ধ রয়েছে। এতে স্থানীয় লোকজনের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আতঙ্ক কাটেনি। যে কোন সময় আবারও গোলাগুলি করতে পারে মিয়ানমার বাহিনী।

এদিকে এতদিন মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর গুলাগুলির কারণে সীমান্ত পাড়ের স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকরা আতঙ্কে ছিল।

গর্জন বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ হামজা বলেন, প্রতিদিন মায়ানমার সামরিক বাহিনীর গোলাগুলিতে বিদ্যালয়ে বিকট শব্দ শোনা যেত। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিষয়টা তিনি বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ত্রিরতন চাকমাকে অবহিত করেছিলেন।

সরজমিন আরো জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি বন্ধ হলেও বিজিবির টহল ছিল জোরদার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির একজন কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত এখন শান্ত হলে ও আমাদের নজরদারি কড়া এবং টহল জোরদার রয়েছে।

এবিষয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাংগীর আজিজ বলেন, দীর্ঘ দিন গোলাগুলি হলেও সীমান্ত আজ কোন গোলাগুলি নেই। শ্রমিকরা কাজে ফিরছে, ক্ষেত খামারে ফিরছে কৃষকেরা। বিজিবি’র টহল অব্যাহত রয়েছে। আশা করি শান্তি ফিরে আসবে। আমি সকলকে নির্ভয়ে কাজে ফেরার আহবান জানিয়েছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain + 55 = 65

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree