বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

ভারতে এবার শাহি ঈদগাহ মসজিদে জরিপের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৭ পঠিত

ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরার ঈদগাহ মসজিদ নিয়ে বিতর্কের জেরে আদালত এ নিয়ে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার এই আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে এই রাজ্যের বারানসি শহরের জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়েও হিন্দুত্ববাদীরা প্রশ্ন তোলায় বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

হিন্দুত্ববাদী দল হিন্দুসেনার নেতা বিষ্ণুগুপ্ত আদালতে পেশ করা আবেদনে অভিযোগ করেন, ‘কৃষ্ণ জন্মভূমির’ ওপর ঈদগাহ মসজিদ নির্মিত হয়।

এই অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের জন্য জরিপের আদেশ দিয়েছেন মথুরার স্থানীয় আদালত।

আদালত বলেন, আগামী বছরের ২ জানুয়ারির পর শুরু হবে সমীক্ষার কাজ। মামলার পরের শুনানি আগামী ২০ জানুয়ারি। এরপর সমীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো কিছুদিন ধরে দাবি করছে, ‘কাটরা কেশব দেব মন্দির’ চত্বর থেকে শাহি ঈদগাহ মসজিদ সরাতে হবে। তাদের দাবি, কৃষ্ণ যেখানে জন্মেছিলেন, সেখানেই সপ্তদশ শতাব্দীতে তৈরি করা হয় ওই মসজিদ।

আবেদনে বিষ্ণু দাবি করেন, মোগল শাসক সম্রাট আওরঙ্গজেবের নির্দেশে মন্দিরের জায়গায় ১৬৬৯ থেকে ১৬৭০ সালে তৈরি হয় মসজিদটি। গত ৮ ডিসেম্বর বিষ্ণুর আইনজীবী শৈলেশ যাদব বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় থেকে মন্দির তৈরি পর্যন্ত ইতিহাস তিনি আদালতে জানিয়েছেন।

১৯৬৮ সালে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংঘ নামের একটি সংগঠন এবং শাহি ঈদগাহ কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। বাদীপক্ষের আইনজীবী ওই চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

মথুরা ঈদগাহ মসজিদ নিয়ে এর আগে একবার আবেদন দাখিল করা হয়; কিন্তু আদালত তা খারিজ করে দেন। আবেদন খারিজের কারণ সম্পর্কে ওই সময় আদালত জানিয়েছিলেন, ১৯৯১ সালের ধর্মীয় প্রার্থনাবিষয়ক আইনে বলা হয়েছে, ভারতের স্বাধীনতা লাভের দিন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দেশে যে ধর্মীয় স্থান যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই তা থাকবে; কিন্তু এর বিরুদ্ধে ফের আবেদন করেন হিন্দুত্ববাদীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 5 + 4 =

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree