বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

মহালছড়ি সেনাজোনের উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ গাঁজাক্ষেত ধ্বংস

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৭৩ পঠিত

খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি জোনের অন্তর্গত কলাবুনিয়া ছড়া এলাকায় সেনা টহল চলাকালীন আনুমানিক ৬ থেকে ৮ বিঘা পরিমাণ গাঁজাক্ষেতের সন্ধান পায় মহালছড়ি সেনাজোন। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) এই গাঁজাক্ষেত ধ্বংস করেন তারা।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, দুর্গম পাহাড়ে গাঁজার চাষ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা সরবরাহ করে থাকে মাদক ব্যবসায়ীরা। খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি জোন কর্তৃক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে উদ্ধারকৃত গাঁজা একত্রে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

জানা যায়, গহীন অরণ্য ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেখানে তুলনামূলক জনবসতি কম, সে সকল জায়গায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিরাপদ এলাকা হিসেবে বেছে নেয়। আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা, অস্ত্র ক্রয় ও তাদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে। কলাবুনিয়া ছড়া এলাকাটি প্রত্যন্ত ও দুর্গম হওয়ায় এই এলাকায় জনসাধারণের চলাচল নেই বললেই চলে। গাঁজাক্ষেতের সন্ধান পাওয়ার পরপরই মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনীর একটি টিম ওই এলাকায় আনুমানিক ২৫০ থেকে ৩০০ কেজি গাঁজাক্ষেত পুড়িয়ে ধ্বংস করে। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে এ অপরাধের সাথে জড়িত সবাই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলে তখন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের একটি দল ও স্থানীয় থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ইউপিডিএফ (মূল) প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই গাঁজাক্ষেতের চাষ করা হয়ে থাকে।

সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকায় জনমনে স্বস্তি ফিরেছে। মহালছড়ি জোন সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। মহালছড়ি সেনাজোনের এরূপ কার্যক্রম সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন প্রকার মাদকের চাষ বন্ধ এবং মাদক নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হবে বলে এলাকাবাসী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain − 1 = 8

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree