বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

রাসুল (সা.) যেভাবে রমজানের আগাম প্রস্তুতি নিতেন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০২৩
  • ৭০ পঠিত

শাবান রমজানের আগাম প্রস্তুতির মাস। ইসলামের দৃষ্টিতে শাবান মাস বিভিন্ন কারণে বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসকে মহানবী (সা.) ‘শাবানু শাহরি’ (শাবান আমার মাস) বলে অভিহিত করেছেন। মহানবী (সা.) শাবান মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। তাঁর রমজানের প্রস্তুতি ছিল মূলত তিন ধরনের :

১. দোয়া : রজব ও শাবানজুড়েই তিনি রমজানের অধীর অপেক্ষায় থাকতেন। এর ধারাবাহিকতায় রজবের শুরু থেকেই রাসুল (সা.) দোয়া করতেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।’ (শুআবুল ইমান, হাদিস : ৩৫৩৪)

দোয়াটির অর্থ—হে আল্লাহ, আপনি আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দিন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন (রমজান পর্যন্ত আমাদের আয়ু বৃদ্ধি করে দিন, যাতে আমরা রমজানে যথাযথ আমল করতে পারি)।

২. মানুষকে সজাগ ও সতর্ক করা : রমজানের আগে আসে শাবান মাস। আর রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে রাসুল (সা.) শাবান থেকেই আমল শুরু করে দিতেন। এবং মানুষকে উদাসীনতার চাদর থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দিতেন। তিনি বলতেন, বান্দার বার্ষিক আমলগুলো মহান আল্লাহর দরবারে উত্থাপিত হয় শাবান মাসে। উসামা ইবন জায়েদ (রা.) বলেন, ‘একদিন আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি শাবান মাসে যেভাবে রোজা রাখেন, অন্য মাসে তেমন রাখতে দেখি না। জবাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, শাবান এমন একটি মাস, যা রজব ও রমজানের মাঝখানে আসে। আর এই মাস সম্পর্কে (সাধারণত) মানুষ উদাসীন থাকে। অথচ এই মাসেই আমলগুলো আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করা হয়। আমি চাই, রোজা অবস্থায়ই যেন আমার আমলনামা পেশ করা হয়।’ (নাসায়ি, হাদিস : ২৩৫৭)

৩. বেশি বেশি নফল রোজা রাখা : মাহে রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে রাসুল (সা.) শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন। উম্মু সালামা (রা.) বলেন, আমি শাবান ও রমজান ছাড়া রাসুল (সা.)-কে একটানা দুই মাসের রোজা পালন করতে দেখিনি। (তিরমিজি, হাদিস : ৭৩৬; সহিহ ইবন মাজাহ, হাদিস : ১৩৪৮)

আয়েশা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) একাধারে (এত বেশি) সাওম পালন করতেন যে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সাওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সাওম পালন করবেন না। আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে রমজান ছাড়া কোনো পুরো মাসের সাওম পালন করতে দেখিনি এবং শাবান মাসের চেয়ে কোনো মাসে অধিক (নফল) সাওম পালন করতে দেখিনি। (বুখারি, হাদিস : ১৯৬৯)

উভয় হাদিসের সারমর্ম হলো—রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের প্রস্তুতিমূলকভাবে প্রায় পুরো শাবান মাস নফল রোজা রাখতেন। মহান আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 83 + = 93

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree