বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

সোনালি আমন ধান হাসি ফুটিয়েছে পার্বত্য রাজস্থলীর কৃষকের মুখে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৩ পঠিত

রাঙামাটির রাজস্থলীতে শুরু হয়েছে আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটার উৎসব। আমন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। সোনালি ধান হাসি ফুটিয়েছে তাদের মুখে। বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন কেবল ধান আর ধান। হেমন্তের সকালে সে ধানের ডগায় শোভা পাচ্ছে মুক্তার মতো ঝলমলে শিশির বিন্দু। কোথাও কোথাও এরই মধ্যে সবুজ ধান পেকে সোনালি বর্ণ ধারণ করেছে। কদিন পর সে পাকা ধান ঘরে উঠবে। আবার পাহাড়ের চুড়ায় ঝুম চাষের আগাম ধান পাকায় কৃষক-কৃষাণীরা মেতে উঠেছেন ধান কাঠার উৎসবে। অথচ নানান প্রতিকূল আবহাওয়ায় এবার শঙ্কা ছিল কাঙ্ক্ষিত ফলন না পাওয়ার। তবে কৃষক ও কৃষি অফিস বলছে, বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলনই হয়েছে রাজস্থলী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে।

রাজস্থলী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে ৯৪৮ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৪৮ হেক্টর। যা গত বছর ছিল ৯১৩ হেক্টর। এর মধ্যে ব্রি ধান-৪৯, পাজাম, দিনাজপুরী পাজাম, ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৮৭ সহ অন্যান্য আগাম জাতের ধান আবাদ হয়েছে। কম সময়ে ফলন এবং কম খরচে এই জাতের ধান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনেক কৃষক।

তবে মৌসুমের শুরুতে অনাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার পর গত বছরের তুলনায় এবারও ৩৫ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। এরই মধ্যে আবার সিত্রাং এর আঘাতে ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে কিছুটা। সব কাটিয়ে তবু প্রত্যাশার চেয়ে ভাল ফলনের আশাই করছে কৃষক ও কৃষি অফিস।

রাজস্থলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলনে, আমন মৌসুমে কম সময়ে অধিক ফলন হয়, এমন জাতের ধানের আবাদ বৃদ্ধির জন্য কাজ করছি। চলতি আমন মৌসুমে ১৮০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। ফলনো ভালো হয়েছে। সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে জড়ো কিছু এলাকায় ধানের গাছ নুইয়ে পড়েছিল। তবে এবারও আমরা গতবারের চেয়ে বেশি ফলন পাবো। এবার চাউল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬৩১ মেট্রিকটন। এবং ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৩৯৪৬ মেট্রিকটন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, প্রতি ইঞ্চি জমি চাষ এ প্রতিপাদ্যকে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। কৃষক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিসহ আগাম ধান কেটে সবজি তেল জাতীয়, ডাল জাতীয় ফসল আবাদ করবে। জমিতে ধান চাষের পর আলু, সরিষাসহ রবিশস্য উৎপাদন করতে পারবে। এটি কৃষকদের বোনাস ফসল। কৃষকের উৎপাদন এবং আয় দুটোই বাড়বে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 9 + 1 =

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree