বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দালাল-বেঈমানের জন্মদাতা কুখ্যাত ইব্রাহিমকে পাহাড়ি জনগণ কখনই ক্ষমা করবে না! টেকনাফে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা খাগড়াছড়িতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার থানচি বাজার সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ফিলিস্তিন সংকট:বেসামরিক নাগরিকদের গাজা ত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করাই ইসরাইলের উদ্দেশ্য কুতুবদিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো তুরস্ক মাস্ক পরে অনুশীলনে বাংলাদেশ, দিল্লিতে ম্যাচ নিয়েও শঙ্কা গর্জনিয়ায় পানিতে ডুবে হেফজখানার ছাত্রের মৃত্যু পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের রানের পাহাড়

২ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা মামলায় ৭ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৩ পঠিত

টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় ৭ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থদণ্ড, আনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদাণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব পট্টুমনি থানার মেহেরপুরের মৃত আমির হামজার ছেলে এম. বেল্লাল হোসেন, মৃত দিল মোহাম্মদের ছেলে ইয়ার মোহাম্মদ, হাড়িপাড়ার আহাম্মদ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন, শাকের আলমের ছেলে মনজুর আলম, মৃত জালাল হোসেনের ছেলে মো. জাকির হোসেন, জয়নাল হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন ও সান্দামা এলাকার মৃত সবির রহমানের ছেলে আবদুর রহমান।

রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে শুনানি শেষে কক্সবাজার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণাকালে আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। তাদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম (৪)।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম।

মামলার নথির সূত্র ধরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির মো. বেদারুল আলম।

তথ্য মতে, ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপের কাটাবনিয়া থেকে ৭/৮ নটিক্যাল মাইল দূরে সাগরে ধাওয়া দিয়ে কাঠের বোটসহ ৭ রোহিঙ্গা আটক করে কোস্টগার্ড। তাদের ব্যবহারের বোট তল্লাশি চালিয়ে ২ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরের দিন ২ ডিসেম্বর থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের পেটি অফিসার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. আরশাদুল ইসলাম।

বিস্তারিত অনুসন্ধানপূর্বক ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অভিযোগপত্র’ দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, টেকনাফ থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল জলিল খাঁন। ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ৩৮/৪১ ধারাসহ (৩৬)১ ধারার সরণির ১(গ) ক্রমিকে বর্ণিত শাস্তিযোগ্য অপরাধের ‘অভিযোগ’ গঠন করেন আদালত।

মামলার রায় প্রসঙ্গে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, মাছের বোটের আড়ালে ইয়াবা পাচার করছিল মিয়ানমারের ৭ নাগরিক। পুলিশের প্রতিবেদনে তার প্রমাণ মিলেছে। দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ৩৮/৪১ ধারাসহ (৩৬)১ ধারার সরণির ১(গ) অনুবলে সাজা প্রদান করেছেন বিচারক।

আদালতের এমন রায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী ভূমি রাখবে মন্তব্য করেছেন এডভোকেট ফরিদুল আলম। বিচারে তিনি সন্তুষ্ট।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Let's check your brain 4 + 1 =

একই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved 2022 CHT 360 degree